জনমেজয় কহিলেন , “ হে মহর্ষে , ‘ ভারতীয় ক্রিকেট ফ্যান’ এবং ‘স্মার্টফোন ও সেল্ফি’ – এই দুই বিষয়ে আপনার সবিস্তার বর্ণনা শ্রবণ করিয়া আমাদের কর্ণযুগল ধন্য হইয়াছে | এক্ষণে আপনাকে আরেকটি অনুরোধ করিব | শুনিয়াছিে কলিযুগে ভারতবর্ষে ‘ভেজ বিরিয়ানি’ নামক নামক এক প্রকার অখাদ্যের প্রচলন হইবে | ইহা কী প্রকার বস্তু হইবে এবং মনুষ্যজীবনে ইহার প্রভাব কীরূপ হইবে তাহা শুনিতে বড় কৌতুহল জন্মিতেছে | আপনি অনুগ্রহ করিয়া সবিস্তারে বর্ণন করুন |” বৈশম্পায়ন কহিলেন , “ হে রাজন , কলিযুগে ভারতবর্ষে মন্দবুদ্ধি মনুষ্যগণ বহুবিধ অখাদ্য নির্দ্বিধায় ভক্ষণ করিবে , ‘ ভেজ বিরিয়ানি’ উক্ত অখাদ্যসমূহের তালিকায় শীর্ষ স্থান অধিকার করিবে | ‘ ভেজ বিরিয়ানি’ নামটিতে ‘বিরিয়ানি’ শব্দটি থাকিলেও উহা আদৌ বিরিয়ানি হইবে না | কলিযুগে স্কুল-কলেজে ইংরাজি ক্লাসে ‘ veg biriyani ’ শব্দযুগলকে ‘ oxymoron’- য়ের সর্বশেষ্ঠ উদাহরণ হিসাবে বর্ণনা করা হইবে | ভেজ বিরিয়ানি এক আজব বস্তু ; সাদা ভাতের সারল্য , বিরিয়ানির রাজকীয়তা , খিচুড়ির তৃপ্তি , ফ্রায়েড রাইসের বিদেশিয়ানা , কিম্বা পোলাওয়ের নিজস্বতা – কিছুই উহাতে থাকিবে না | হে রাজন , বাঙা...