Skip to main content

Happiness আর Sadness-এর ঘনঘটা



Happiness is:
ফ্রিজ খুলেই দেখি গাঙ্গুরামের প্লাস্টিকের ডিব্বা

Sadness is:
ডিব্বা খুলে দেখি আদা-রসুন বাটা

Happiness is:
তক্ষুনি মা জানায় কাল বাড়িতে mutton রান্না হবে, এই আদা-রসুন বাটা সেই জন্যেই | মাংস কিনে এনে ফ্রিজারে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে |

Sadness is:
এদিকে কাল আমার অফিস - ফিরতে রাত হবে | দুপুরের সেই স্বর্গীয় আহারের সুখ পাওয়া যাবে না |

Happiness is:
বিকাল থেকেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি | খবরে দেখলাম আগামী ৪৮ ঘন্টা দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র ভারী বৃষ্টির আভাস | এরকম চললে সব জায়গায় এক হাঁটু জল জমে যাবে | এই দুর্যোগে কামাই করলেও চাপ নেই |

Sadness is:
রাত দশটায় বৃষ্টি বন্ধ | জেগে থাকলাম রাত একটা অবধি | বৃষ্টির নাম-গন্ধ নেই | সকালে মনে হচ্ছে চড়চড়িয়ে রোদ উঠবে |

Happiness is:
সকালে উঠে দেখি রাতের অন্ধকার চারিদিকে, মারাত্মক বৃষ্টি হচ্ছে | আজ অফিস যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না |

Sadness is:
সকালে চা খেতে গিয়ে শালা জিভ গেল পুড়ে | এই খসখসে জিভে কোনো স্বাদ পাওয়া যাবে না | মাংস-ভাতের তৃপ্তি গেল বিশ হাত জলের তলায় |

Happiness is:
এই ফালতু লেখাও আপনি পড়ছেন | অনেক ধন্যবাদ |

______________________________________________________________
পুনশ্চঃ : ওই মিষ্টির ডিব্বা আর আদা-রসুন বাটার ব্যাপারটা, মানে প্রথম Happiness আর প্রথম Sadness-এর ব্যাপারটা ফেসবুকে খুব চলছে | সেটা দেখেই এরকম লেখার idea মাথায় এল |
______________________________________________________________
© অর্ঘ্য দাস @ টুকটাক লেখালেখি , দুর্গানগর, 04-08-2017


Comments

Popular posts from this blog

চিকেন পকোড়া, মিলনদার ক্যান্টিন এবং কাকা

মুরগী কি লুপ্তপ্রায় প্রজাতির ( endangered species) আওতায় পড়ে ? কলকাতা তথা বৃহত্তর কোলকাতার নানা ফাস্টফুডের দোকানে ‘চিকেন পকোড়া’ নামক বস্তুটা চেখে দেখলে কিন্তু সত্যিই এই সন্দেহটা মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে | বস্তুতঃ ‘চিকেন পকোড়া’ (চিকেন চপের কথা কিন্তু বলছি না) জিনিসটা খানিকটা ‘ভার্চুয়াল রিয়েলিটি’র মতো | মানে, আপনি ভাবছেন যে জিনিসটা আছে, কিন্তু আসলে নেই | মুরগী-ফুরগি কিচ্ছু না, স্রেফ বাঁধাকপি | ডবল এক্সেল বাঁধাকপির খাঁচার ভেতর মাইক্রোস্কোপিক মাংসের কণামাত্র, কিম্বা মাংস ছাড়ানো একটা হাড় | কখনো কখনো ওই কণাটাও খুঁজে পাওয়া যায়না, শুধু পাওয়া যায় চিকেন মশলার গন্ধ ! মুখের মধ্যে বস্তুটি পুরে আপনি চিকেনের সন্ধানে দাঁত চালাতে থাকেন, পাশ থেকে সেই মেহের আলী যেন বলে ওঠে, “সব ঝুঠ হ্যায়” ! আমাদের পাড়ার বেশ কয়েকটা দোকানে এই বিচ্ছিরি বস্তুটা পাওয়া যায় | সবকটা দোকান থেকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নানা সময়ে ওই জিনিটা চেখে দেখেছি | প্রতিবারে একই অভিজ্ঞতা | এক একটার পকোড়ার দাম আজকের দিনে কমবেশি পনেরো টাকা, অথচ খুব বেশি হলে তাতে থাকে দু’টাকার বাঁধাকপি, এক টাকার মাংস, পঞ্চাশ পয়সার তেল-মশলা, আর দোকানদ...

কাজের মাসি

কাজের মাসি গতকাল আনন্দবাজারের রবিবাসরীয় তে একটা লেখা পড়লাম কাজের মাসিপিসি দের নিয়ে | এ প্রসঙ্গে নিজের কিছু অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল – তখন আমি যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে পড়ি আর থাকি গড়ফা নামক একটি জায়গায় মেসবাড়িতে | আমাদের মেসে রান্না, বাসন মাজা, ঘর পরিষ্কার ইত্যদি কাজ করত সবিতা দি | সদা হাস্যমুখ এই সবিতাদির বাড়ি ছিল নরেন্দ্রপুরে | মাঝেমাঝেই সবিতাদির নানা উদ্ভট কথাবার্তায় আমরা যারপরনাই পুলকিত হতাম | আমাদের মেসের মনোজিত আর সুদীপকে চিরকাল সবিতাদি ‘মনোদীপ ভাই’ আর ‘সুজিত ভাই’ বলেই ডেকে এসেছে, বহুবার সংশোধন করার চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি | আমাকে বলত ‘মোটাভাই’ | স্কচ বাইট কে বলত ‘কসবা’ | মাছের ঝোল, মাংসের ঝোল কে বলত ‘মাছের তরকারী’ আর ‘মাংসের তরকারী’ | তখনো তৃনমূল ক্ষমতায় আসেনি, একদিন সবিতাদি এসে বলল, “ও ভাই জানো, আমাদের পাড়ায় কাল রাতে ঝামেলা হয়েচিল, এখন নতুন কি একটা পার্টি এসেচে না - ‘তিন আঙ্গুল’ না ‘দুই আঙ্গুল’ কি একটা নাম, তাদের সাথে ছি পি এমের | মারপিট ও হয়েচে |” আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম নতুন কোনো পার্টি সত্যিই বোধহয় এসেছে যাদের চিহ্ন ওই আঙ্গুলমার্কা ভিকট্রি সাইন ! মিনিট খানেক পর...

Pun-do-লিপি : সেলেব্রিটিগণ