Skip to main content

ফেসবুক আপডেট (পর্ব ৩) : নিজের ফটো (/স্টেটাস) নিজেই 'like' করা

[ আগের দু'টি পর্বের লিঙ্ক : ফেসবুক আপডেট : পর্ব ১ এবং ফেসবুক আপডেট : পর্ব ২  ]

নিজের পোস্ট করা নিজের photo (/status) নিজেই like করার ঘটনাটি অনেকাংশেই 'আত্মলিঙ্গমপশ্চাৎপুরম'-এর সাথে তুলনীয় | অত্যন্ত অবাক হয়ে লক্ষ্য করি ফেসবুকে শতকরা ১০ জন লোকে এই কাজটি করে থাকেন |  এই কাজটি শুধুমাত্র 'আত্মপ্রচার' নয়, রীতিমতো নির্বুদ্ধিতার পরিচায়কও বটে !!
আরে পাগল (/পাগলি), তুই যে নিজেকে খুব ভালোবাসিস সেটা আমাদের সবারই জানা, ফলে তোর্ photo (বা লেখা / আঁকা) তোর্ নিজের যে ভালো লাগবে সেটাও আমরা জানি !! তাছাড়া, তোর নিজের পছন্দ হয়েছে বলেই তো তুই জিনিসটা ফেসবুকে পোস্ট করছিস, অপছন্দের জিনিস নিশ্চয়ই তুই পোস্ট করবি না |  তাই নয় কি ?

পাঠকগণ, আপনারা কুকুরকে নিজের লেজ কামড়াতে দেখেছেন কখনো ? বা কোনো মানুষকে নিজের পিঠ নিজেই চাপড়ে দিতে ? ব্যাপারগুলো খানিকটা নিজের পোস্ট নিজে like করার সাথে তুলনীয় |
সাথে ইন্টারনেট থেকে পাওয়া কয়েকটা প্রাসঙ্গিক ফটোও দিলাম, দেখতে ভুলবেন না যেন !!!







                                                              (সবকটি ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

Comments

Popular posts from this blog

চিকেন পকোড়া, মিলনদার ক্যান্টিন এবং কাকা

মুরগী কি লুপ্তপ্রায় প্রজাতির ( endangered species) আওতায় পড়ে ? কলকাতা তথা বৃহত্তর কোলকাতার নানা ফাস্টফুডের দোকানে ‘চিকেন পকোড়া’ নামক বস্তুটা চেখে দেখলে কিন্তু সত্যিই এই সন্দেহটা মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে | বস্তুতঃ ‘চিকেন পকোড়া’ (চিকেন চপের কথা কিন্তু বলছি না) জিনিসটা খানিকটা ‘ভার্চুয়াল রিয়েলিটি’র মতো | মানে, আপনি ভাবছেন যে জিনিসটা আছে, কিন্তু আসলে নেই | মুরগী-ফুরগি কিচ্ছু না, স্রেফ বাঁধাকপি | ডবল এক্সেল বাঁধাকপির খাঁচার ভেতর মাইক্রোস্কোপিক মাংসের কণামাত্র, কিম্বা মাংস ছাড়ানো একটা হাড় | কখনো কখনো ওই কণাটাও খুঁজে পাওয়া যায়না, শুধু পাওয়া যায় চিকেন মশলার গন্ধ ! মুখের মধ্যে বস্তুটি পুরে আপনি চিকেনের সন্ধানে দাঁত চালাতে থাকেন, পাশ থেকে সেই মেহের আলী যেন বলে ওঠে, “সব ঝুঠ হ্যায়” ! আমাদের পাড়ার বেশ কয়েকটা দোকানে এই বিচ্ছিরি বস্তুটা পাওয়া যায় | সবকটা দোকান থেকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নানা সময়ে ওই জিনিটা চেখে দেখেছি | প্রতিবারে একই অভিজ্ঞতা | এক একটার পকোড়ার দাম আজকের দিনে কমবেশি পনেরো টাকা, অথচ খুব বেশি হলে তাতে থাকে দু’টাকার বাঁধাকপি, এক টাকার মাংস, পঞ্চাশ পয়সার তেল-মশলা, আর দোকানদ...

কাজের মাসি

কাজের মাসি গতকাল আনন্দবাজারের রবিবাসরীয় তে একটা লেখা পড়লাম কাজের মাসিপিসি দের নিয়ে | এ প্রসঙ্গে নিজের কিছু অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল – তখন আমি যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে পড়ি আর থাকি গড়ফা নামক একটি জায়গায় মেসবাড়িতে | আমাদের মেসে রান্না, বাসন মাজা, ঘর পরিষ্কার ইত্যদি কাজ করত সবিতা দি | সদা হাস্যমুখ এই সবিতাদির বাড়ি ছিল নরেন্দ্রপুরে | মাঝেমাঝেই সবিতাদির নানা উদ্ভট কথাবার্তায় আমরা যারপরনাই পুলকিত হতাম | আমাদের মেসের মনোজিত আর সুদীপকে চিরকাল সবিতাদি ‘মনোদীপ ভাই’ আর ‘সুজিত ভাই’ বলেই ডেকে এসেছে, বহুবার সংশোধন করার চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি | আমাকে বলত ‘মোটাভাই’ | স্কচ বাইট কে বলত ‘কসবা’ | মাছের ঝোল, মাংসের ঝোল কে বলত ‘মাছের তরকারী’ আর ‘মাংসের তরকারী’ | তখনো তৃনমূল ক্ষমতায় আসেনি, একদিন সবিতাদি এসে বলল, “ও ভাই জানো, আমাদের পাড়ায় কাল রাতে ঝামেলা হয়েচিল, এখন নতুন কি একটা পার্টি এসেচে না - ‘তিন আঙ্গুল’ না ‘দুই আঙ্গুল’ কি একটা নাম, তাদের সাথে ছি পি এমের | মারপিট ও হয়েচে |” আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম নতুন কোনো পার্টি সত্যিই বোধহয় এসেছে যাদের চিহ্ন ওই আঙ্গুলমার্কা ভিকট্রি সাইন ! মিনিট খানেক পর...

Pun-do-লিপি : সেলেব্রিটিগণ