Skip to main content

দর্শন সিং (Darshan Singh)

অনেকদিন আগে স্কুলের এক বন্ধুর বাবার থেকে শোনা একটা জোক: -
______________________________________________________________________
দর্শন সিং নামক এক পাঞ্জাবী নেতা নির্বাচনের আগে ভাষণ দিচ্ছেন :
“ভাইয়ো অউর বহেনো, by which I am speaking is a loud speaker,
ইয়ে লাউড স্পিকার বনতে হ্যায় লোহে কা,
লোহা কা ইংলিশ হ্যায় Iron,

Iron-man ও হি থে, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, জিসনে ছোড় দিয়া থা war,
ওয়ার হোতা হ্যায় বড়া ভয়ানক, জ্যায়সে কি জঙ্গল কি শের,
অব চাল্লিস সের* সে এক মন হোতা হ্যায়,
মন হোতা হ্যায় চঞ্চল,
চঞ্চল য়োহি থে – ফিল্ম অ্যাকট্রেস  মধুবালা কি বহেন, জিনহোনে এক ফিল্ম কিয়া থা জিসকা নাম থা ‘স্বর্ন অউর মন্দির’,
অউর অ্যায়সা হি এক মন্দির হ্যায় অমৃতসর মে - আপলোগ যাকে উয়ো মন্দির দর্শন কিজিয়ে,
অউর দর্শন সিং কো ভোট দিজিয়ে ||”
_________________________________________________________________________
* (সের এক প্রকারের পরিমাপের একক, যা ওজন পরিমাপের জন্য এক সময় বাংলায় ও ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করা হতো। ১৬ ছটাকে  ১ সের হয়। ১ সের প্রায় ০.৯৩৩১০ কেজির সমান।
সের-এর সাথে অন্যান্য এককের সম্পর্ক হলো:
১ সের = ১৬ ছটাক  = ৮০ তোলা 
 মন = ৪০ সের।
মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলনের ফলে বাংলাদেশ ও ভারত হতে সের এককটি প্রায় লোপ পেয়েছে, তবে এখনো কথ্য ভাষা ও গ্রামাঞ্চলে সের এর ব্যবহার রয়েছে।)
______________________________________________________________
টুকটাক লেখালেখি , দুর্গানগর, ২১-০১-২০১৬ 

Comments

Popular posts from this blog

চিকেন পকোড়া, মিলনদার ক্যান্টিন এবং কাকা

মুরগী কি লুপ্তপ্রায় প্রজাতির ( endangered species) আওতায় পড়ে ? কলকাতা তথা বৃহত্তর কোলকাতার নানা ফাস্টফুডের দোকানে ‘চিকেন পকোড়া’ নামক বস্তুটা চেখে দেখলে কিন্তু সত্যিই এই সন্দেহটা মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে | বস্তুতঃ ‘চিকেন পকোড়া’ (চিকেন চপের কথা কিন্তু বলছি না) জিনিসটা খানিকটা ‘ভার্চুয়াল রিয়েলিটি’র মতো | মানে, আপনি ভাবছেন যে জিনিসটা আছে, কিন্তু আসলে নেই | মুরগী-ফুরগি কিচ্ছু না, স্রেফ বাঁধাকপি | ডবল এক্সেল বাঁধাকপির খাঁচার ভেতর মাইক্রোস্কোপিক মাংসের কণামাত্র, কিম্বা মাংস ছাড়ানো একটা হাড় | কখনো কখনো ওই কণাটাও খুঁজে পাওয়া যায়না, শুধু পাওয়া যায় চিকেন মশলার গন্ধ ! মুখের মধ্যে বস্তুটি পুরে আপনি চিকেনের সন্ধানে দাঁত চালাতে থাকেন, পাশ থেকে সেই মেহের আলী যেন বলে ওঠে, “সব ঝুঠ হ্যায়” ! আমাদের পাড়ার বেশ কয়েকটা দোকানে এই বিচ্ছিরি বস্তুটা পাওয়া যায় | সবকটা দোকান থেকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নানা সময়ে ওই জিনিটা চেখে দেখেছি | প্রতিবারে একই অভিজ্ঞতা | এক একটার পকোড়ার দাম আজকের দিনে কমবেশি পনেরো টাকা, অথচ খুব বেশি হলে তাতে থাকে দু’টাকার বাঁধাকপি, এক টাকার মাংস, পঞ্চাশ পয়সার তেল-মশলা, আর দোকানদ...

কাজের মাসি

কাজের মাসি গতকাল আনন্দবাজারের রবিবাসরীয় তে একটা লেখা পড়লাম কাজের মাসিপিসি দের নিয়ে | এ প্রসঙ্গে নিজের কিছু অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ে গেল – তখন আমি যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে পড়ি আর থাকি গড়ফা নামক একটি জায়গায় মেসবাড়িতে | আমাদের মেসে রান্না, বাসন মাজা, ঘর পরিষ্কার ইত্যদি কাজ করত সবিতা দি | সদা হাস্যমুখ এই সবিতাদির বাড়ি ছিল নরেন্দ্রপুরে | মাঝেমাঝেই সবিতাদির নানা উদ্ভট কথাবার্তায় আমরা যারপরনাই পুলকিত হতাম | আমাদের মেসের মনোজিত আর সুদীপকে চিরকাল সবিতাদি ‘মনোদীপ ভাই’ আর ‘সুজিত ভাই’ বলেই ডেকে এসেছে, বহুবার সংশোধন করার চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি | আমাকে বলত ‘মোটাভাই’ | স্কচ বাইট কে বলত ‘কসবা’ | মাছের ঝোল, মাংসের ঝোল কে বলত ‘মাছের তরকারী’ আর ‘মাংসের তরকারী’ | তখনো তৃনমূল ক্ষমতায় আসেনি, একদিন সবিতাদি এসে বলল, “ও ভাই জানো, আমাদের পাড়ায় কাল রাতে ঝামেলা হয়েচিল, এখন নতুন কি একটা পার্টি এসেচে না - ‘তিন আঙ্গুল’ না ‘দুই আঙ্গুল’ কি একটা নাম, তাদের সাথে ছি পি এমের | মারপিট ও হয়েচে |” আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম নতুন কোনো পার্টি সত্যিই বোধহয় এসেছে যাদের চিহ্ন ওই আঙ্গুলমার্কা ভিকট্রি সাইন ! মিনিট খানেক পর...

Pun-do-লিপি : সেলেব্রিটিগণ